ওরা মানুষ নয়,ওদের কে মানুষ বললে মানুষদের অপমান করা হবে,এক কথায় ওরা “জানোয়ার”
কথা গুলো বললাম বিদ্যুতের সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সকলকে……
গত কাল সন্ধ্যা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত ১ ঘন্টা ৪৫ মিনিট বিদ্যুৎ ছিল,তারপর যে বিদ্যুৎ গেল মাঝরাতে ৩.৩৭ মিনিটে বিদ্যুৎ এলো তাও আবার মাত্র ৭ মিনিটের জন্য তারপর আবার চলে গেল,রাত শেষ হয়ে সকাল হয়ে গেল এখনও বিদ্যুতের কোন খোঁজ খবর নাই……
আর সারাদিনে ৮-৯ বার বিদ্যুৎ নিয়ে যায় তাও একবার বিদ্যুৎ গেলে ১ থেকে ২ ঘন্টার নিচে আসে না।
“জানোয়ার”দের এই দেশ থেকে অবসান করা খুবই জরুরী হয়ে পড়েছে……
এই দেশকে মানুষ কি করে ভালোবাসবে। গ্রামের মানুষ বলে কি তারা মানুষ নয়।গ্রামের মানুষদের কি কোন শখ থাকতে পারে না।সমাজে যত বড় বড় নেতা,গুণীজন,জ্ঞ্যানি,রাজনীতিবিদ,কবি,লেখক তাদের বিশাল একটা অংশ এই গ্রামেই জন্ম,পরবর্তীতে হয়তো নানান বেস্ততায় নানান কাজে শহরে পাড়ি দিয়েছন।সেই গ্রাম আজ সর্বদিকে অবহেলিত,”দেখার কেও নাই”
যারা দেখবে তারা তহ শহরের বিশাল বিশাল দালান-কোঠায় বিদ্যুতের বিকল্প হিসাবে জেনারেটর,আইপিএস,সৌরবিদ্যুৎ ব্যাবহার করে থাকেন আর সব সময় থাকেন এয়ার কন্ডিশন গাড়ি,বাড়ি,অফিসে সো এইসব বুঝা উনাদের জন্য দুঃস্বপ্নের ব্যাপার।
অথচ দুঃখের বিষয় হলেও সত্যি আমরা পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড.দিপু মনির এলাকায় মানে চাঁদপুর জেলার বাসিন্দা।চাঁদপুর সদর থেকে আমাদের এলাকার দূরত্ব ১৩ কিলোমিটার।আমরা যে রাস্তাটি দিয়ে চলাপেরা করি এক অর্থে ঐ রাস্তাটি বেড়ি বাঁধ বলে,আর সেই রাস্তাটির অবস্থা যে কি করুন তা চোখে না দেখলে কেউ বিশ্বাস করবেন না।ভয়ংকর রাস্তা মানুষজনের চলাপেরা আগের চেয়ে কমে গেছে।আসলেই কি হবে এই গ্রামের,এই গ্রামের মানুষ জনের…..
“মনে রাখতে হবে,মেরুদন্ড ছাড়া যেমন মানুষ চলতে পারে না তেমনি গ্রামের উন্নয়ন না করলে এই শহর ও টিকবে না”
আছিব চৌধুরী
গ্রামঃ সরখাল,পোঃ মুলপাড়া,থানাঃ ফরিদগঞ্জ,জেলাঃ চাঁদপুর


ভাই, সাধারণ জনগনই সবচেয়ে বড় জানোয়ার, যাদের মাথায় মনুষ্যত্ববোধের ঘিলু পচে গেছে। না হলে কেউ কি নরপশুদের ধাপে-ধাপে সুযোগ দেয়????
সত্যি বিদ্যুত ব্যবস্থার অবস্থা খুব খারাপ।শহর কিংবা গ্রাম যেখানেই যান আপনে এই সমস্যাতে পড়বেন ই পড়বেন।
গরমে খারাপ অবস্থা। তবে আমার এখানে ২৪ ঘন্টা জেনারেটর আছে।
নরপশু না, শুধু পশু বলা উচিৎ