লন্ডন: ‘মাফ করবেন, আপনি কি প্রধানমন্ত্রী?’- লন্ডনে টিউব ট্রেনে চড়তে গিয়ে ব্র্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের মতো এক লোককে দেখে বেমক্কা প্রশ্নটি করে ফেলেছেন এক ভারতীয় নারী।
তার সন্দেহ অবশ্য ভুল হবার কোনো কারণ নেই। কারণ ২৭ বছর বয়সী সঙ্গীতা মায়ার বলিউডের আটটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। সুতরাং আর যাই হোক তাকে দুনিয়া সম্বন্ধে বেখবর বলা যায় না।
ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী সাধারণ মানুষের সঙ্গে পাতাল ট্রেনে উঠবেন এটা বিশ্বাস করতে পারছিলেন না মায়ার। কারণ নিজের দেশ ভারতে এমনটি হতে তো দেখেননি এমনকি শোনেনওনি। তাই নিশ্চিত হতে সরাসরি প্রশ্নই করে বসেছেন তিনি।
নিশ্চিত হয়ে তিনি ক্যামেরনকে জানান, তার দেশে রাজনীতিকরা কখনও গণপরিবহনে চড়েন না।
গত রোববার প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরন লন্ডনের পাতাল ট্রেনে করে একটি অ্যাপয়েন্টমেন্টে যাচ্ছিলেন। গাড়িতে যেতে দেরি হবে তাই তিনি ট্রেনে চড়ে বসেছেন।
মায়ার তার স্বামী ইয়ানকোর (৩১) সঙ্গে তাদের তিনমাস বয়সী বাচ্চাকে নিয়ে ট্রেনের যাত্রী হয়েছিলেন।
মায়ার বলেন, ‘আমরা ওয়েস্টমিনিস্টারের বাসা থেকে শপিংয়ের জন্য ট্রেনে করে যাচ্ছিলাম। সেখানেই লোকটি ট্রেনে উঠে আমার দিকে এগিয়ে এসে বললেন, এটা তোমার বাচ্চা?, আমি বললাম হ্যাঁ, তিনি বললেন, তোমার বাচ্চাটি সত্যিই খুব সুন্দর।’
আমি তাকে ধন্যবাদ দিলাম। তিনি একটু সরে গেলেন কিন্তু কাছাকাছিই দাঁড়ালেন। আমার স্বামীকে জিজ্ঞেস করলাম, লোকটা কে যে, আমার বাচ্চার প্রশংসা করছে। তখন সে বলল, তিনি প্রধানমন্ত্রী। আমি মনে করলাম সে আমার সঙ্গে কৌতুক করছে। কিন্তু আমার স্বামী যখন জোর দিয়ে বলল তখন সরাসরি লোকটিকেই জিজ্ঞেস করলাম।
তার উত্তর পেয়ে নিশ্চিত হয়ে আমি হাসতে থাকি। এই প্রশ্নের জন্য মাফ চাই।
ট্রেনে ক্যামেরনের সঙ্গে মাত্র একজন দেহরক্ষী ছিলেন। ক্যামেরন মায়ারের সঙ্গে আলাপ জমিয়ে ফেলেন। তাকে জানান, একবার দিল্লিতে তিনি ট্রেনে চড়ে মুম্বাই পর্যন্ত গিয়েছিলেন। শচীন টেন্ডুলকারের অটোগ্রাফ দেওয়া একটি ক্রিকেট বল নিয়েছিলেনও তিনি।
কোথায় যেন দেখেছিলাম মনে হচ্ছে
হমম, চেনা চেনা মনে হচ্ছে
আকাশ ভাই, আমরা আজ অন্যদেশের রাজা, রাষ্ট্রব্যবস্থা আর রাষ্ট্রনীতি নিয়ে আছি, তাঁদের জীবন-যাপন দেখে তাঁদের পদচুম্বন করছি মহানভেবে অথচ দেখেন আমাদের দেশের হাল। আসলে আমরা বোধহয় আর কখনো আমাদের দেশের ক্ষেত্রে এমনটি আশা করতে পারব না।
ধন্যবাদ আপনার পোষ্টটির জন্য।
ধন্যবাদ সুন্দর পোষ্টের জন্য। শুভ ব্লগিং… শুভ পথ চলা।
এসব দেশের মন্ত্রিরা সময় বাঁচাতে ট্রেনে যায় নির্ভয়ে । আর আমাদের দেশের মন্ত্রীরা আরাম আয়েস শেষ করে গাড়ী বহরে রাস্তা খালি করে (পুলিশদ্বারা ) তারপর যায় তাও ভয়ে ভয়ে এই মনে হয় বোমা পড়ল ! আমাদের দেশের মন্ত্রীরা অনেক ভাল কাজ করে তাই ভয়ে ভয়ে থাকে ! পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ ।
হালার কাহিনিরে কাহিনি। কি যে কমু। আমিও তো হেইদিন দেহি এক লোক ভিক্ষা করতাছে। চেহারা পুরাই জিল্লুর রহমানের মত। একবার চাইলাম জিগাই, আপ্নে কি সতিই দেশের প্রেসিডেন্ট?? পরে ভাব্লাম, নাহ থাক। যদি আবার ক্রসফায়ার করে তাইলে তো সেস।
আসলে অদের সাথে তুলনা হয় না.